তোমারি নাম বলব নানা ছলে
তোমারি নাম বলব নানা ছলে। বলব একা বসে, আপন মনের ছায়াতলে। বলব বিনা ভাষায়, বলব বিনা আশায়, বলব মুখের হাসি দিয়ে, বলব চোখের জলে॥ বিনা-প্রয়োজনের ডাকে ডাকব তোমার নাম, সেই ডাকে মোর শুধু শুধুই পুরবে মনস্কাম। শিশু যেমন মাকে না...
Share your poems|
Find readers who feel them. Earn from every read and every gift.
Publish poems, stories and essays in your own language. Line breaks stay exactly as you wrote them.
Readers react, comment, follow and share. Climb the weekly leaderboard.
Every unique read earns coins, and readers can send you gifts. Withdraw your earnings anytime.
তোমারি নাম বলব নানা ছলে। বলব একা বসে, আপন মনের ছায়াতলে। বলব বিনা ভাষায়, বলব বিনা আশায়, বলব মুখের হাসি দিয়ে, বলব চোখের জলে॥ বিনা-প্রয়োজনের ডাকে ডাকব তোমার নাম, সেই ডাকে মোর শুধু শুধুই পুরবে মনস্কাম। শিশু যেমন মাকে না...
বিভাস। একতালা বন্ধু, কিসের তরে অশ্রু ঝরে, কিসের লাগি দীর্ঘশ্বাস। হাস্যমুখে অদৃষ্টেরে করব মোরা পরিহাস। রিক্ত যারা সর্বহারা সর্বজয়ী বিশ্বে তারা, গর্বময়ী ভাগ্যদেবীর নয়কো তারা ক্রীতদাস। হাস্যমুখে অদৃষ্টেরে করব মোরা পরিহাস...
পেয়েছি ছুটি, বিদায় দেহো, ভাই, সবারে আমি প্রণাম করে যাই। ফিরায়ে দিনু দ্বারের চাবি, রাখি না আর ঘরের দাবি, সবার আজি প্রসাদবাণী চাই- সবারে আমি প্রণাম করে যাই॥ অনেক দিন ছিলাম প্রতিবেশী, দিয়েছি যত নিয়েছি তার বেশি। প্রভাত...
বাহির হতে বহিয়া আনি সুখের উপাদান। আপনা-মাঝে আনন্দের আপনি সমাধান। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
চলে যাবে সত্তারূপ সৃজিত যা প্রাণেতে কায়াতে, রেখে যাবে মায়ারূপ রচিত যা আলোতে ছায়াতে। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
অন্ধকারের পার হতে আনি প্রভাতসূর্য মন্দ্রিল বাণী, জাগালো বিচিত্রেরে এক আলোকের আলিঙ্গনের ঘেরে। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
(প্রহসন)। ৺মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রণীত। চতুর্থ সংস্করণ। কলিকাতা বেণীমাধব দে এণ্ড কোং বটতলা। ১৮৮৩। CALCUTTA A recollector C. bose. Printer. Vidya Ratna Press. 283 Upper Chitpoor Road. নাট্যোল্লিখিত ব্যক্তিগণ। ভক্তপ্রসাদ বা...
তুমি আমার আঙিনাতে ফুটিয়ে রাখ ফুল। আমার আনাগোনার পথখানি হয় সৌরভে আকুল। ওগো ঐ তোমারি ফুল। ওরা আমায় হৃদয়-পানে মুখ তুলে যে থাকে। ওরা তোমার মুখের ডাক নিয়ে যে আমারি নাম ডাকে। ওগো ঐ তোমারি ফুল॥ তোমার কাছে কী যে আমি সেই কথা...
প্রিয়তমাসু সীমান্তে আজ আমি প্রহরী। অনেক রক্তাক্ত পথ অতিক্রম ক’রে আজ এখানে এসে থমকে দাঁড়িয়েছি— স্বদেশের সীমানায়। ধূসর তিউনিসিয়া থেকে স্নিগ্ধ ইতালী, স্নিগ্ধ ইতালী থেকে ছুটে গেছি বিপ্লবী ফ্রান্সে নক্ষত্রনিয়ন্ত্রিত নি...
আসা-যাওয়ার পথ চলেছে উদয় হতে অস্তাচলে, কেঁদে হেসে নানান বেশে পথিক চলে দলে দলে। নামের চিহ্ন রাখিতে চায় এই ধরণীর ধুলা জুড়ে, দিন না যেতেই রেখা তাহার ধুলার সাথে যায় যে উড়ে। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
নয় এ মধুর খেলা, তোমায় আমায় সারাজীবন সকাল-সন্ধ্যাবেলা নয় এ মধুর খেলা। কতবার যে নিবল বাতি, গর্জে এল ঝড়ের রাতি, সংসারের এই দোলায় দিলে সংশয়েরি ঠেলা॥ বারে বারে বাঁধ ভাঙিয়া বন্যা ছুটেছে। দারুণ দিনে দিকে দিকে কান্না উঠে...
আমার মাঝে তোমার লীলা হবে তাই ত আমি এসেছি এই ভবে এই ঘরে সব খুলে যাবে দ্বার, ঘুচে যাবে সকল অহঙ্কার, আনন্দময় তোমার এ সংসারে আমার কিছু আর বাকি না রবে। মরে গিয়ে বাঁচব আমি তবে, আমার মাঝে তোমার লীলা হবে : সব বাসনা যাবে আমার থ...
তোমার সাথে নিত্য বিরোধ আর সহে না,— দিনে দিনে উঠ্চে জমে কতই দেনা। সবাই তোমায় সভার বেশে প্রণাম করে গেল এসে, মলিন বাসে লুকিয়ে বেড়াই মান রহে না। কি জানাব চিত্ত বেদন বোবা হয়ে গেছে যে মন, তোমার কাছে কোনো কথাই আর কহে না। ফ...
আর আমি থা’ক্বোনারে, তল্পী তোল্; সয় কি ভাই, দিবানিশি গণ্ডগোল? খেয়ে বামণের রান্না, ভাই আমার আসে কান্না, তবু পাক-ঘরে যান্ না, গিন্নির আগুন ছুঁলেই গোল; (আবার) ডা’লের সঙ্গে জল মেশে না, বেগুনপোড়া, নিমপটোল। (হায় দুবেলা) প...
আমি পার হ’তে চাই, ওরা আমায় দেয়না পারের কড়ি; আমি বলি লিখব, ওরা দেয়না হাতে খড়ি; কিছু হ’ল না। ওরা খায় ক্ষীরনবনী, আমি বল্কা দুধ, আমি করি তেজারতি, ওরা খায় সুদ; কিছু হ’ল না। আমার গাছে ফল ধরে, ওরা সবি খায় পেড়ে, আমি এক...
বৈয়াকরণ― দম্পতির বিরহ। (পত্র) কবে হবে তোমাতে আমাতে সন্ধি; যাবে বিরহের ভোগ, হ’বে শুভ-যোগ, দ্বন্দ্ব সমাসে হইব বন্দী। তুমি মূল ধাতু, আমি হে প্রত্যয়, তোমাযোগে আমার সার্থকতা হয়, কবে, ‘স্যতি, সতঃ, স্যন্তি’র ঘু’চে যাবে ভয়,...