হেরিনু রমারে আমি নিশার স্বপনে; হাঁটু গাড়ি হাতী দুটি শুঁড়ে শুঁড়ে ধরে— পদ্মাসন উজলিত শতরত্ন-করে, তুই মেঘরাশি-মাঝে, শোভিছে অম্বরে, রবির পরিধি যেন। রূপের কিরণে আলো করি দশ দিশ; হেরিনু নয়নে, সে কমলাসন-মাঝে ভুলাতে শঙ্করে রাজরাজেশ্বরী, যেন কৈলাস-সদনে। কহিলা বাগ্দেবী দাসে (জননী যেমতি অবোধ শিশুরে দীক্ষা দেন প্রেমাদরে), “বিবিধ আছিল পুণ্য তোর জন্মান্তরে, তেঁই দেখা দিলা তোরে আজি হৈমবতী যেরূপে করেন বাস চির রাজ-ঘরে পঞ্চকোট;-পঞ্চকোট—ওই গিরিপতি।”