হেরেছিনু, গিরিকবর! নিশার স্বপনে, অদ্ভুত দর্শন! হাঁটু গাড়ি হাতী দুটি শুঁড়ে শুঁড়ে ধরে, কনক-আসন এক, দীপ্ত রত্ন-করে দ্বিতীয় তপন! যেই রাজকুলখ্যাতি তুমি দিয়াছিলা, সেই রাজকুললক্ষ্মী দাসে দেখা দিলা, শোভি সে আসন হে সখে! পাষাণ তুমি, তবু তব মনে ভাবরূপ উৎস, জানি, উঠে সর্ব্বক্ষণে। ভেবেছিনু, গিরিবর! রমার প্রসাদে, তাঁর দয়াবলে, ভাঙা গড় গড়াইব, জলপূর্ণ করি জলশূন্য পরিখায়; ধনুর্ব্বাণ ধরি দ্বারিগণ আবার রক্ষিবে দ্বার অতি কুতূহলে।