২২ (নিশাকালে নদী-তীরে বটবৃক্ষতলে শিব-মন্দির।) রাজসূয়-যজ্ঞে যথা রাজাদল চলে রতন-মুকুট শিরে; আসিছে সঘনে অগণ্য জোনাকীব্রজ এই তরুতলে পূজিতে রজনী-যোগে বৃষভ-বাহনে। ধূপরূপ পরিমল অদূর কাননে পেয়ে, বহিতেছে তাহে হেথা কুতূহলে মলয়; কৌমুদী, দেখ, রজত-চরণে বীচী-রব-রূপ পরি নূপুর, চঞ্চলে নাচিছে; আশ্চর্য্য-রূপ এই তরু-পতি উচ্চারিছে বীজমন্ত্র। নীরবে অম্বরে, তারাদলে তারানাথ করেন প্রণতি (বোধ হয়) আরাধিয়া দেবেশ শঙ্করে! তুমিও, লো কল্লোলিনি, মহাব্রতে ব্রতী,— সাজায়েছ, দিব্য সাজে, বর কলেবরে।