স্ফটিকের মত শুভ্র ছিলাম আদিম পুষ্পবনে, নীল হ’য়ে গেছি নীলকণ্ঠের কণ্ঠ-আলিঙ্গনে! বিষাদের বিষ ভরিয়া পেয়েছি গরলের নীল রুচি, স্থাণুর ধেয়ানে পেলব এ তনু হয়েছে পাথর-কুচি। রুদ্র নিদাঘে খর বৈশাখে রুদ্রেরি পূজা করি’, আধ-নিমীলিত পাপড়ি আমার ঢুলু ঢুলু আঁখি স্মরি’। নীলকণ্ঠের কণ্ঠ ঘিরিয়া সর্পের আনাগোনা,— আমি তারি সনে আছি একাসনে;– পেয়েছি প্রসাদ-কণা।