Where words blossom.
Share your poems|
Find readers who feel them. Earn from every read and every gift.
বৃষ্টির দিনে
Write
Publish poems, stories and essays in your own language. Line breaks stay exactly as you wrote them.
Be read
Readers react, comment, follow and share. Climb the weekly leaderboard.
Earn
Every unique read earns coins, and readers can send you gifts. Withdraw your earnings anytime.
ও কে যায় চলে কথা না বলে দিও না যেতে
ও কে যায় চলে কথা না বলে দিও না যেতে, তাহারই তরে আসন ঘরে রেখেছি পেতে। কেন সে মৃধার পাত্র ফেলে চলে যেতে চায় আজ অবহেলে রামধনু রথে বিদায়ের পথে উঠিছে মেতে॥ রঙে রঙে আজ গোধুলি গগন, নহেকো রঙিন, বিলাপে মগন। আমি কেঁদে কই যেয়ো...
স্নেহগ্রাস
অন্ধ মোহবন্ধ তব দাও মুক্ত করি। রেখো না বসায়ে দ্বারে জাগ্রত প্রহরী হে জননী, আপনার স্নেহকারাগারে সন্তানেরে চিরজন্ম বন্দী রাখিবারে। বেষ্টন করিয়া তারে আগ্রহ-পরশে, জীর্ণ করি দিয়া তারে লালনের রসে, মনুষ্যত্ব-স্বাধীনতা করিয়া...
তরঙ্গের বাণী সিন্ধু
তরঙ্গের বাণী সিন্ধু চাহে বুঝাবারে। ফেনায়ে কেবলি লেখে, মুছে বারে বারে। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
দাঁড়াও ক্ষণিক পথিক হে
দাঁড়াও ক্ষণিক পথিক হে যেয়ো না চলে, অরুণ-আলো কে যে দেবে যাও গো বলে। ফেরো তুমি যাবার বেলা, সাঁঝ আকাশে রঙের মেলা দেখেছ কী কেমন ক’রে। আগুন হয়ে উঠল জ্বলে। পূব গগনের পানে বারেক তাকাও, বিরহেরই ছবি কেন আঁকাও? আঁধার যেন প্লাবন...
তবু তাহা ভুল জানি … রাজবল্লভের কীর্তি ভাঙে কীর্তিনাশা
তবু তাহা ভুল জানি … রাজবল্লভের কীর্তি ভাঙে কীর্তিনাশা; তবুও পদ্মার রূপ একুশরত্নের চেয়ে আরো ঢের গাঢ়— আরো ঢের প্রাণ তার, বেগ তার, আরো ঢের জল, জয় আরো; তোমারো পৃথিবী পথ; নক্ষত্রের সাথে তুমি খেলিতেছ পাশা: শঙ্খমালা নয় শু...
দিনের আলো নামে যখন
দিনের আলো নামে যখন ছায়ার তাতলে আমি আসি ঘট ভরিবার ছলে একলা দিঘির জলে। তাকিয়ে থাকি, দেখি, সঙ্গীহারা একটি সন্ধ্যাতারা ফেলেছে তার ছায়াটি এই কমলসাগরে। ডোবে না সে, নেবে না সে, ঢেউ দিলে সে যায় না তবু স’রে— যেন আমার বিফল রাত...
এই সে পরম মূল্য
এই সে পরম মূল্য আমার পুজার— না পূজা করিলে তবু শাস্তি নাই তার। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
আসনতলের মাটির পরে লুটিয়ে রব
আসনতলের মাটির পরে লুটিয়ে রব। তোমার চরণ-ধূলায় ধূলায় ধূসর হব। কেন আমায় মান দিয়ে আর দূরে রাখো! চিরজনম এমন করে ভুলিয়োনাক! অসম্মানে আন টেনে পায়ে তব। তোমার চরণ-ধূলায় ধূলায় ধূসর হব। আমি তোমার যাত্রিদলের রব পিছে, স্থান...
ধরণীর খেলা খুঁজে
ধরণীর খেলা খুঁজে শিশু শুকতারা তিমিররজনীতীরে এল পথহারা। উষা তারে ডাক দিয়ে ফিরে নিয়ে যায়, আলোকের ধন বুঝি আলোকে মিলায়। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
মৃত্যু দিয়ে যে প্রাণের
মৃত্যু দিয়ে যে প্রাণের মূল্য দিতে হয় সে প্রাণ অমৃতলোকে মৃত্যু করে জয়। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
বাহিরে যাহারে খুঁজেছিনু দ্বারে দ্বারে
বাহিরে যাহারে খুঁজেছিনু দ্বারে দ্বারে পেয়েছি ভাবিয়া হারায়েছি বারে বারে— কত রূপে রূপে কত-না অলংকারে অন্তরে তারে জীবনে লইব মিলায়ে, বাহিরে তখন দিব তার সুধা বিলায়ে। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
এবার তোরা আমার যাবার বেলাতে
এবার তোরা আমার যাবার বেলাতে সবাই জয়ধ্বনি কর্। ভোরের আকাশ রাঙা হল রে, আমার পথ হল সুন্দর। কী নিয়ে বা যাব সেথা ওগো তোরা ভাবিস নে তা, শূন্য হাতেই চলব, বহিয়ে। আমার ব্যাকুল অন্তর॥ মালা পরে যাব মিলন-বেশে, আমার পথিক-সজ্জা নয়...
গান দিয়ে হে তোমায় খুঁজি
গান দিয়ে হে তোমায় খুঁজি বাহির মনে চির দিবস মোর জীবনে। নিয়ে গেছে গান আমারে ঘরে ঘরে দ্বারে দ্বারে, গান দিয়ে হাত বুলিয়ে বেড়াই এই ভুবনে। কত শেখা সেই শেখালো, কত গোপন পথ দেখালো, চিনিয়ে দিল কত তারা হৃদগগনে। বিচিত্র সুখদু...
বিদ্রোহের গান
বেজে উঠল কি সময়ের ঘড়ি? এসো তবে আজ বিদ্রোহ করি, আমরা সবাই যে যার প্রহরী উঠুক ডাক। উঠুক তুফান মাটিতে পাহাড়ে জ্বলুক আগুন গরিবের হাড়ে কোটি করাঘাত পৌঁছোক দ্বারে; ভীরুরা থাক। মানবো না বাধা, মানবো না ক্ষতি, চোখে যুদ্ধের দৃঢ...
জানার বাঁশি হাতে নিয়ে
জানার বাঁশি হাতে নিয়ে না-জানা বাজান তাঁহার নানা সুরের বাজানা। — স্ফুলিঙ্গ (1945)