হাস্নু হানা গন্ধভরা হাস্নু হানা তুলেছিলাম গুচ্ছ ক’রে; তখন কেবল সন্ধ্যা নামে পরাণ ভরে নানান্‌ সুরে। কপোলতলে ওষ্ঠাধরে তপ্ত দুটি নয়ন ’পরে নিয়েছিলাম স্নিগ্ধ-সজল কোমল পরশ সোহাগ ভরে। সান্ধ্য ফলের গন্ধ মদির পরাণ আমার করলে অধীর, তপ্ত হয়ে পড়ল নিশাস কে জানে হায় কিসের তরে! সন্ধ্যা ফুরায় একা একা, এখনো হয় নাইক দেখা, নেতিয়ে প’ল হাস্নু হানা পরাণ সাথে ক্লান্তি ভরে! যায় দিলে সে মনের সনে, অশ্রু সনে পড়ল ঝ’রে।