মাতৃস্নেহবিগলিত স্তন্যক্ষীররস পান করি হাসে শিশু আনন্দে অলস— তেমনি বিহ্বল হর্ষে ভাবরসরাশি কৈশোরে করেছি পান; বাজায়েছি বাঁশি প্রমত্ত পঞ্চম সুরে, প্রকৃতির বুকে লালনললিতচিত্ত শিশুসম সুখে ছিনু শুয়ে; প্রভাত-শর্বরী-সন্ধ্যা-বধূ নানা পাত্রে আনি দিত নানাবর্ণ মধু পুষ্পগন্ধে মাখা।       আজি সেই ভাবাবেশ   সেই বিহ্বলতা যদি হয়ে থাকে শেষ,   প্রকৃতির স্পর্শমোহ গিয়ে থাকে দূরে—   কোনো দঃখ নাহি। পল্লী হতে রাজপুরে   এবার এনেছ মোরে,দাও চিত্তে বল—   দেখাও সত্যের মূর্তি কঠিন নির্মল। — নৈবেদ্য (1901)