সে উদার প্রত্যুষের প্রথম অরুণ যখনি মেলিবে নেত্র— প্রশান্ত করুণ— শুভ্রশির অভ্রভেদী উদয়শিখরে, হে দুঃখী জাগ্রত দেশ,​​ তব কণ্ঠস্বরে প্রথম সংগীত তার যেন উঠে বাজি প্রথম ঘোষণাধ্বনি।         তুমি থেকো সাজি,   চন্দনচর্চিত স্নাত নির্মল ব্রাহ্মণ,   উচ্চশির ঊর্ধ্বে তুলি গাহিয়ো বন্দন,   ‘এসো শান্তি,​​ বিধাতার কন্যা ললাটিকা,   নিশাচর পিশাচের রক্তদীপশিখা   করিয়া লজ্জিত। তব বিশাল সন্তোষ   বিশ্বলোক-ঈশ্বরের রত্নরাজকোষ।   তব ধৈর্য দৈববীর্য। নম্রতা তোমার   সমুচ্চ মুকুটশ্রেষ্ঠ,​​ তাঁরি পুরস্কার।’ — নৈবেদ্য (1901)