অচিন্ত্য এ ব্রহ্মাণ্ডের লোক-লোকান্তরে অনন্ত শাসন যাঁর চিরকালতরে প্রত্যেক অণুর মাঝে হতেছে প্রকাশ, যুগে যুগে মানবের মহা-ইতিহাস বহিয়া চলেছে সদা ধরণীর​​ ’পর যাঁর তর্জনীর ছায়া,​​ সেই মহেশ্বর আমার চৈতন্য-মাঝে প্রত্যেক পলকে করিছেন অধিষ্ঠান— তাঁহারি আলোকে চক্ষু মোর দৃষ্টিদীপ্ত,​​ তাঁহারি পরশে অঙ্গ মোর স্পর্শময় প্রাণের হরষে।   যেথা চলি,​​ যেথা রহি,​​ যেথা বাস করি,   প্রত্যেক নিশ্বাসে মোর এই কথা স্মরি—   আপন-মস্তক-’পরে সর্বদা সর্বথা   বহিব তাঁহার গর্ব,​​ নিজের নম্রতা। — নৈবেদ্য (1901)