কলছন্দে পূর্ণ তা’র প্রাণ,—       নিত্য বহমান     ভাষার কল্লোলে       জাগাইয়া তোলে         চারিধারে     প্রত্যহের জড়তারে;         সঙ্গীতে তরঙ্গ তুলি’,         হাসিতে ফেনিল তা’র ছোটে দিনগুলি।     আঁখি তা’র কথা কয়, বাহুভঙ্গী কত কথা বলে,       চরণ যখন চলে       কথা ক’য়ে যায়—     যে-কথাটি অরণ্যের পাতায় পাতায়,     যে-কথাটি ঢেউ তোলে আশ্বিনে ধানের ক্ষেতে—প্রান্ত হ’তে প্রান্তে যায় চ’লে,       যে-কথাটি নিশীথ-তিমিরে     তারায় তারায় কাঁপে অধীর মির্ম্মিরে,       যে-কথাটি মহুয়ার বনে         মধুপগুঞ্জনে       সারাবেলা উঠিছে চঞ্চলি’,—     —নাম কি কাকলি? — মহুয়া (1929)