যেন তা’র চক্ষুমাঝে    উদ্যত বিরাজে    মহেশের তপোবনে নন্দীর তর্জ্জনী।      ইন্দ্রের অশনি       মৌনে তা’র ঢাকা;      প্রাণ তা’র অরুণের পাখা    মেলিল দিনের বক্ষে তীব্র অতৃপ্তিতে      দুঃসহ দীপ্তিতে।    সাধক দাঁড়ায় তা’র কাছে সহসা সংশয় লাগে যোগ্যতা কি আছে;   দুঃসাধ্য সাধন তরে       পথ খুঁজে মরে।   তুচ্ছতারে দাহে তা’র অবজ্ঞা-দহন;       এনেছে সে করিয়া বহন   ইন্দ্রাণীর গাঁথা মাল্য; দিবে কণ্ঠে তা’র       কার্ম্মুকে যে দিয়েছে টঙ্কার, কাপট্যেরে হানিয়াছে, সত্যে যার ঋণী বসুমতী,-       —নাম কি জয়তী? — মহুয়া (1929)