কোন্ শুভগ্রহালোকে, কি মঙ্গল যোগে, চকিতে যেন গো, পাই দরশন! সেই, ক্ষুদ্র একপল, কৃতার্থ, সফল, রোমাঞ্চিত তনু, ঝরে দুনয়ন। আয়ুঃ যদি হ’ত সেই এক বিন্দু, কে চাহিত দীর্ঘ-বিষাদের সিন্ধু? তোমায় দেখিতে দেখিতে, ফুরা’ত চকিতে, ভবের বিপদ, সম্পদ, হরষ, রোদন; আঁখি মুদি’, আমার নিখিল উজল, আঁখি মেলি’, আমার আঁধার সকল, কোন্ পুণ্যে পাই, কি পাপে হারাই, তুমি জান গো, সাধক-শরণ! তব যাত্রা-সনে, যদি হয় লোপ ধরণীর মায়া, নাহি রয় ক্ষোভ, সবই ফিরে আসে, ভাঙ্গাহৃদিপাশে, কেবল, হারাইয়া যায় সাধনার ধন; দেবতা, আমারে কেন দুঃখ দাও, ‘দাঁড়াও’ বলিতে, দূরে চলে যাও, ডেকে ডেকে মরি, ফিরে নাহি চাও, দয়াময়! কেন নিদয় এমন? বিভাষ—একতালা।