মেয়েদের পদবীতে গোলমাল ভারী, অনেকের নামে তাই দেখি বাড়াবাড়ি; ‘আ’কার অন্ত দিয়ে মহিলা করার চেষ্টা হাসির। তাই ভূমিকা ছড়ার। ‘গুপ্ত’ ‘গুপ্তা’ হয় মেয়েদের নামে, দেখেছি অনেক চিঠি, পোস্টকার্ড, খামে। সে নিয়মে যদি আজ ‘ঘোষ’ হয় ‘ঘোষা’, তা হলে অনেক মেয়ে করবেই গোসা, ‘পালিত’‘পালিত’ হলে ‘পাল’ হলে ‘পালা’ নির্ধাং বাড়বেই মেয়েদের জ্বালা; ‘মল্লিক’ ‘মল্লিকা’, ‘দাস’ হলে ‘দাসা’ শোনাবে পদবীগুলো অতিশয় খাসা; ‘কর’ যদি করা হয়, ‘ধর’ হয় ‘ধরা’, মেয়েরা দেখবে এই পৃথিবীটা—“সরা”। ‘নাগ’ যদি ‘নাগা’ হয়, ‘সেন’ হয় ‘সেনা, বড়ই কঠিন হবে মেয়েদের চেনা॥ — মিঠেকড়া (1951)