দিগন্তে পথিক মেঘ
দিগন্তে পথিক মেঘ চলে যেতে যেতে ছায়া দিয়ে নামটুকু লেখে তাকাশেতে। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
Share your poems|
Find readers who feel them. Earn from every read and every gift.
Publish poems, stories and essays in your own language. Line breaks stay exactly as you wrote them.
Readers react, comment, follow and share. Climb the weekly leaderboard.
Every unique read earns coins, and readers can send you gifts. Withdraw your earnings anytime.
দিগন্তে পথিক মেঘ চলে যেতে যেতে ছায়া দিয়ে নামটুকু লেখে তাকাশেতে। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
Food Problem (একটি প্রাথমিক সম্পাদ্যের ছায়া অবলম্বনে) সিদ্ধান্ত: আজকে দেশে রব উঠেছে, দেশেতে নেই খাদ্য; ‘আছে’, সেটা প্রমাণ করাই অধুনা ‘সম্পাদ্য’। কল্পনা: মনে করো, আসছে জাপান অতি অবিলম্বে সাধারণকে রাখতে হবে লৌহদৃঢ় ‘লম্বে...
কত দিন তুমি আর আমি এসে এইখানে বসিয়াছি ঘরের ভিতর খড়ের চালের নিচে, অন্ধকারে;—সন্ধ্যায় ধূসর সজল মৃদু হাত খেলিতেছে হিজল জামের ডালে—বাদুড় কেবল করিতেছে আসা-যাওয়া আকাশের মৃদু পথে;—ছিন্ন ভিজে খড় বুকে নিয়ে সনকার মতো যেন প’...
তুমি যে কাজ করচ, আমায় সেই কাজে কি লাগাবে না? কাজের দিনে আমায় তুমি আপন হাতে জাগাবে না? ভালমন্দ ওঠাপড়ায়, বিশ্বশালার ভাঙাগড়ায় তোমার পাশে দাড়িয়ে যেন তোমার সাথে হয় গো চেনা? ভেবেছিলেম বিজন ছায়ায় নাই যেখানে আনাগোনা স...
আমি আমায় করব বড়ো, এই তো আমার মায়া তোমার আলো রাঙিয়ে দিয়ে ফেলব রঙিন ছায়া। তুমি তোমায় রাখবে দূরে, ডাকবে তারে নানা সুরে, আপ্নারি বিরহ তোমার আমায় নিল কায়া॥ বিরহগান উঠল বেজে বিশ্বগগনময়। কত রঙের কান্নাহাসি, কতই আশা-ভ...
ফুলের অক্ষরে প্রেম লিখে রাখে নাম আপনার— ঝ’রে যায়, ফেরে সে আবার। পাথরে পাথরে লেখা কঠিন স্বাক্ষর দুরাশার ভেঙে যায়, নাহি ফেরে আর। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
ও কে যায় চলে কথা না বলে দিও না যেতে, তাহারই তরে আসন ঘরে রেখেছি পেতে। কেন সে মৃধার পাত্র ফেলে চলে যেতে চায় আজ অবহেলে রামধনু রথে বিদায়ের পথে উঠিছে মেতে॥ রঙে রঙে আজ গোধুলি গগন, নহেকো রঙিন, বিলাপে মগন। আমি কেঁদে কই যেয়ো...
অন্ধ মোহবন্ধ তব দাও মুক্ত করি। রেখো না বসায়ে দ্বারে জাগ্রত প্রহরী হে জননী, আপনার স্নেহকারাগারে সন্তানেরে চিরজন্ম বন্দী রাখিবারে। বেষ্টন করিয়া তারে আগ্রহ-পরশে, জীর্ণ করি দিয়া তারে লালনের রসে, মনুষ্যত্ব-স্বাধীনতা করিয়া...
তরঙ্গের বাণী সিন্ধু চাহে বুঝাবারে। ফেনায়ে কেবলি লেখে, মুছে বারে বারে। — স্ফুলিঙ্গ (1945)