(তাতার ও তিব্বত-বাসী মোগলদিগের মধ্যে প্রচলিত) শিবিরে মোদের দৈব পুরুষ তৈমূর ছিল যবে, মোগল জাতির বীর্য্য তখন বিখ্যাত ছিল ভবে; ধরণী সে হ’ত নিজে অবনত মোগলের পদভরে, শুধু কটাক্ষে লক্ষটা জাতি কাঁপিয়া মরিত ডরে! তৈমূর! অবিলম্বে তুমি কি ল’বে না নূতন কায়? এস, ফিরে এস দৈর পুরুষ র’য়েছি প্রতীক্ষায়। মোগল আজিকে শান্ত হ’য়েছে,— নিরীহ গড্‌ডলিকা, নিরালয় মাঠ আলয় যাদের হৃদয়ে বহ্নিশিখা! কই গো তেমন শিরদার কই? কোথা সেই সর্দ্দার? মোগলে যেজন রণপণ্ডিত করিবে পুনর্ব্বার! তৈমূর! অবিলম্বে তুমি কি ল’বে না নূতন কায়? এস, ফিরে এস দৈব-পুরুষ র’য়েছি প্রতীক্ষায়। মোগলের ছেলে বন্য ঘোড়ায় বাহুবলে বশে আনে, দৃষ্টি তাহার মরু-বালুকার লিখন পড়িতে জানে! তবু সে দৃষ্টি ব্যর্থ এখন মিছা কাজে আছে ভুলি’; বৃথা বাহুবল,—বাঁকাতে পারে না পৈতৃক ধনুগুলি। তৈমূর অবিলম্বে তুমি কি ল’বে না নূতন কায়? এস, ফিরে এস দৈব পুরুষ রয়েছি প্রতীক্ষায়। দৈব-পুরুষ তৈমূর পদে আমরা নোয়াই শির; সবুজ চায়ের পাতা দিই তরে পালিত মেষের ক্ষীর। হৃদয়ে মোদের তৈমূর-কথা যুগে যুগে জাগরূক, উৎসাহ ভরে উদ্যত বাহু মোগল সমুৎসুক। লামা আমাদের মন্ত্র পড়, করুন আশীর্ব্বাদ, শড়্‌কী ও শর হবে খরতর, পূর্ণ হইবে সাধ। তৈমুর অবিলম্বে তুমি কি ল’বে না নূতন কায়? এস ফিরে এস দৈব-পুরুষ রয়েছি প্রতীক্ষায়