কালিকার আলো ধরিয়া রাখিতে নারি; আজিকার মেঘ কেমনে বা অপসারি? আজিকে আবার শরৎ আসিছে মেঘের চতুর্দ্দোলে, শত হংসের পক্ষ-তাড়নে উড়ো-কাঁদনের রোলে! পাত্র ভরিয়া প্রাসাদ-চূড়ায় চল, প্রাচীন দিনের কবিদের কথা বল;— শ্লোকে শ্লোকে সেই পরম গরিমা, চরম সুষমা গানে, ছত্রে ছত্রে অনলের সাথে জ্যোৎস্না পরাণে আনে। পাখীর আকুতি আমিও জেনেছি কিছু, পিঞ্জরে তবু আছি করি’ মাথা নীচু; কল্প-লোকের তারায় তারায় ফিরিতে তবুও হারি, পায়ের ধূলার মত ধরণীরে ঝেড়ে ফেলে দিতে নারি। স্রোতের সলিলে মিছে হানি তরবারি, মিছে এ মদিরা শোক সে ভুলিতে নারি! নিয়তির সাথে দ্বন্দ্ব বাধায়ে মিথ্যা জয়ের আশা, তুলে দিয়ে পাল, হাল ছেড়ে শুধু স্রোতে ও বাতাসে ভাসা! লি-পাে।