‘কা বার্ত্তা' জগৎ ঘুরিয়া দেখিনু সকল ঠাঁই, বিস্বাদ হয়ে গিয়েছে বিশ্ব, পাপের অন্ত নাই! অতি নির্ব্বোধ, অতি গর্ব্বিত নারী সে গর্ভদাসী, ভালবেসে তার শ্রান্তি না হয় পূজিতে না আসে হাসি! লালসা-লোলুপ পুরুষ পেটুক, কঠোর, স্বার্থপর, বাঁদীর বান্দা, নরকের ধারা, পঙ্কে তাহার ঘর। উচ্ছ্বাসি’ কাঁদে বলি পশুগুলা, কসায়ের বাড়ে খেলা, শোণিত-গন্ধি হয় উৎসব যত পড়ে আসে বেলা। নিষ্ঠা আচারে পাগলামি-পূজা করিছে কতই ভেড়া, ছুটিতে গেলেই নিয়তি নীরবে উঁচু করে দ্যান্‌ বেড়া; শেষে ঢেকে দ্যান অগাধ আফিমে, সংজ্ঞা থাকে না আর, এই তো মোদের সারাজগতের সনাতন সমাচার! হে প্রিয় মরণ! প্রাচীন নাবিক! নৌকা আনহে তীরে; দুর্ব্বহ মোর হয়েছে জীবন, লও তুলে লও ধীরে। অজানা অতলে ঝাঁপ দিব আমি, প্রাণ যে নূতন চায়, স্বর্গ সে হোল্ক অথবা নরক, তাহে কিবা আসে যায়? বদলেয়ার।