জীবনে তব প্রভাত এল
জীবনে তব প্রভাত এল নব-অরুণকান্তি। তোমারে ঘেরি মেলিয়া থাক শিশিরে-ধোওয়া শান্তি। মাধুরী তব মধ্যদিনে শক্তিরূপ ধরি কর্মপটু কল্যাণের করুক দূর ক্লান্তি। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
জীবনে তব প্রভাত এল নব-অরুণকান্তি। তোমারে ঘেরি মেলিয়া থাক শিশিরে-ধোওয়া শান্তি। মাধুরী তব মধ্যদিনে শক্তিরূপ ধরি কর্মপটু কল্যাণের করুক দূর ক্লান্তি। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
তুমি বাঁধছ নূতন বাসা, আমার ভাঙছে ভিত। তুমি খুঁজছ লড়াই, আমার মিটেছে হার-জিত। তুমি বাঁধছ সেতারে তার, থামছি সমে এসে। চক্ররেখা পূর্ণ হল আরম্ভে আর শেষে। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
দোতলার জানলা থেকে চোখে পড়ে পুকুরের একটি কোণা। ভাদ্রমাসে কানায় কানায় জল। জলে গাছের গভীর ছায়া টলটল করচে সবুজ রেশমের আভায়। তীরে তীরে কল্মি শাক আর হেলঞ্চ। ঢালু পাড়িতে সুপারি গাছ ক-টা মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। এ ধারের ডাঙায়...
কঠিন পাথর কাটি মূর্তিকর গড়িছে প্রতিমা। অসীমেরে রূপ দিক্ জীবনের বাধাময় সীমা। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
জ্বালো নবজীবনেব নির্মল দীপিকা, মর্তের চোখে ধরো স্বর্গের লিপিকা। আঁধারগহনে রচো আলোকের বীথিকা, কলকোলাহলে আনো অমৃতের গীতিকা। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
তিমিরহননের গান কোনো হ্রদে কোথাও নদীর ঢেউয়ে কোনো এক সমুদ্রের জলে পরস্পরের সাথে দু-দণ্ড জলের মতো মিশে সেই এক ভোরবেলা শতাব্দীর সূর্যের নিকটে আমাদের জীবনের আলোড়ন— হয়তো বা জীবনকে শিখে নিতে চেয়েছিলো। অন্য এক আকাশের মতো চ...
সংসারেতে দারুণ ব্যথা লাগায় যখন প্রাণে "আমি যে নাই” এই কথাটাই মনটা যেন জানে। যে আছে সে সকল কালের, এ কাল হতে ভিন্ন— তাহার গায়ে লাগে না তো কোনো ক্ষতের চিহ্ন। — স্ফুলিঙ্গ (1945)