জাতীয় সঙ্গীত (রুষিয়া)
জাতীয় সঙ্গীত। (রুষিয়া) সকল ভয়ের ভয় তুমি প্রভু! তোমারে নমস্কার; বজ্র তোমার রণ-দুন্দুভি, বিদ্যুৎ তরবার! তোমার রাজ্যে করুণা তোমার হউক মূর্ত্তিমান, শান্তির ধারা বর্ষণ কর কালে কালে ভগবান। হে কৃপা-নিধান! তোমার বিধান জগৎ ভু...
জাতীয় সঙ্গীত। (রুষিয়া) সকল ভয়ের ভয় তুমি প্রভু! তোমারে নমস্কার; বজ্র তোমার রণ-দুন্দুভি, বিদ্যুৎ তরবার! তোমার রাজ্যে করুণা তোমার হউক মূর্ত্তিমান, শান্তির ধারা বর্ষণ কর কালে কালে ভগবান। হে কৃপা-নিধান! তোমার বিধান জগৎ ভু...
জাতীয় সঙ্গীত। (ফ্রান্স) ফরাসীভূমির সন্তান সবে আয় রে আয় রে আয়! কীর্ত্তিলাভের শুভ অবসর যায় রে বহিয়া যায়। অত্যাচারের উদ্যত ধ্বজা রক্তে করিয়া স্নান, আমাদের ’পরে বৈর সাধিতে হ’য়েছে অধিষ্ঠান! শুনিছ কি সবে কি ভীষণ রবে ক...
জাতীয় সঙ্গীত। (নরোয়ে) ঝঞ্ঝা-মথিত সাগরোত্থিত ভালবাসি এই দেশ, হ’ক বন্ধুর,— আকর্ষণের তবু তা’র নাহি শেষ। ওগো ভালবেসো, তারে ভালবেসো, না ভুলি’ পূর্ব্ব-কথা, ভুলো না মোদের ‘সাগা’-সঙ্গীত,— স্বপ্নময়ী সে গাথা। বীর-সৈন্যের সহায়ে...
জাতীয় সঙ্গীত। (ইংলণ্ড) রাজারে রক্ষা কর কর ভগবান! রাজা আমাদের হউন আয়ুষ্মান্! জয়ী কর তাঁরে, দাও তাঁরে যশ, দাও দাও তাঁরে বিমল হরষ, সুখে শান্তিতে রাজ্য করুন্ এই কর ভগবান! জাগ, জাগ, প্রভু! জাগ, জাগ, ভগবান! শত্রু দলিতে হওহে...
রাজন্! যদি দুহিতে চাও মহীরে নিরবধি, বৎস সম পালন কর সবে; প্রজায় যদি তুষ্ট কর,—পুষ্ট কর যদি, রাজ্য তোমার কল্প-ধেনু হবে। ভর্ত্তৃহরি।
শিষ্য সহ কংফুশিয়ো লঙ্ঘিছেন যবে ‘টই’ নামে পর্ব্বতের শ্রেণী— শুনিলেন আচম্বিতে, হাহাকার রবে কাঁদে এক নারী অভাগিনী। আজ্ঞায় চলিল শিষ্য নারীর উদ্দেশে, দেখা পেয়ে কহিল তাহারে, “হেন শোক হয় শুধু মহা-সর্ব্বনাশে,— হাঁগো মাতা, হা...
দিবা-স্বপ্ন। সরু গলির মোড়ে, যখন, দিনের আলোক ঝরে, ময়না দাঁড়ে গাহে, এমন গাইছে বছর ধ’রে; সুসান্ যেতে পথে, হঠাৎ শুন্তে পেলে গান, শব্দ সাড়া নাইক ভোরে শুধুই পাখীর তান। মন ডুবিল গানে, একি, কি হ’ল ওর আজ,— দেখ্ছে যেন, জাগে...
ঘোড়াটি আমার ভালবাসিত গো শুনিতে আমার গান, এখন হ’তে সে ঘোড়াশালে বাঁধা র’বে সারাদিনমান। জিনি’ তরঙ্গ সুন্দরী মোর তাতার-বাসিনী সাকী,— লীলা-চঞ্চলা, রঙ্গনিপুণা,—শিবিরে এসেছি রাখি’! ঘোড়ার আমার জুটিবে সওয়ার, ইয়ার পাইবে সাকী,...
শোনো বীর! শোনো বন্ধু আমার, শোনো নবতর তান, আমি কবি—আমি গাথার গায়ক গাহিব নূতন গান! মাণিক কুড়ায়ে পেয়েছি গো আমি বিঁধেছি মুক্তাফল, ছন্দের কাঁদে বাঁধিয়া ফেলেছি ভাবরাশি চঞ্চল। কল্য নির্ণাথে ছিলাম যখন মগন নিদ্রা-ঘোরে, স্বপন...
কালো মাটি কালো মেঘের ভাঁটিতে চোঁয়ানো খাঁটিটি খায়! গাছ পালা গুলো তা’রি পাত্রের একটু প্রসাদ পায়! সাগর দিব্য প্রভাতে প্রদোষে, নদীর মদিরা বসে বসে শোষে! আকাশে সূর্য্য সাতটা সাগর একাই শুষিতে চায়! দিন বুঝে বুঝে ক্রমে ক্ষীণ...