জাপানী ‘ঘুম পাড়ানি’
জাপানী ‘ঘুম-পাড়ানি’। ঘুমো আমার সোণার খোকা, ঘুমো মায়ের বুকে; আকাশ জুড়ে উঠ্লো তারা ঘুমো রে তুই সুখে। হাত পা নেড়ে কান্না কেন? কান্না কেন এত? চাঁদ উঠেছে, ঘুমোরে তুই সোনার চাঁদের মত! একটি দিয়ে চুমো,— ঘুমো রে তুই ঘুমো। ঘ...
জাপানী ‘ঘুম-পাড়ানি’। ঘুমো আমার সোণার খোকা, ঘুমো মায়ের বুকে; আকাশ জুড়ে উঠ্লো তারা ঘুমো রে তুই সুখে। হাত পা নেড়ে কান্না কেন? কান্না কেন এত? চাঁদ উঠেছে, ঘুমোরে তুই সোনার চাঁদের মত! একটি দিয়ে চুমো,— ঘুমো রে তুই ঘুমো। ঘ...
মাউরি জাতির ‘ঘুম-পাড়ানি’। (অস্ট্রেলিয়া) খোকা আমার, খোকা আমার, ‘তুল্তুল্সী’র পাতা! বেনামূলের গুচ্ছ আমার রাখ্রে বুকে মাথা! মৃগনাভির কৌটা আমার খোকা ঘুম যায়, গুগূগুলু ধূপধূনার আবেশ খোকার চোখে আয়!
“আমি আজো নামহীন, বয়স দুইটি দিন।” —কি ব’লে ডাকিব মোরা তোরে? “আমি খুসী-টুস্টুসি, আমার নামটি খুসী।” —‘খুসী’! তুই খুসী থাক ওরে! আনন্দ-সুধার পাত্র, বয়স দু’দিন মাত্র, ‘খুসী’ ব’লে আমি ডাকি তোরে; তুমি হাস চেয়ে চেয়ে, আমি কহি...
বিশ্ববাণীর বারতা এনেছি বঙ্গের সভাতলে, ভ’রেছি আমার সোনার ফলস নানা তীর্থের জলে; ওগো তোরা আয় আয়! নিখিল কবির সঙ্গীত ওঠে বঙ্গের বন ছায়! স্তব্ধ বিমূঢ় শত শতাব্দ যাহাদের মুখ চায়,— যা’দের ভাষায় অতীত জগৎ পুনর্জীবন পায়,— ভা’...
লেগেছে অমল ধবল পালে মন্দ মধুর হাওয়া। দেখি নাই কভু দেখি নাই এমন তরণী বাওয়া। কোন্ সাগরের পার হতে আনে কোন্ সুদূরের ধন। ভেসে যেতে চায় মন, ফেলে যেতে চায় এই কিনারায় সব চাওয়া সব পাওয়া। পিছনে ঝরিছে ঝর ঝর জল গুরু গুরু দে...
পৃথিবী কি আজ শেষে নিঃস্ব ক্ষুধাতুর কাঁদে সারা বিশ্ব, চারিদিকে ঝরে পড়া রক্ত, জীবন আজকে উত্যক্ত। আজকের দিন নয় কাব্যের পরিণাম আর সম্ভাব্যের ভয় নিয়ে দিন কাটে নিত্য. জীবনে গোপন দুর্বৃত্ত। তাই তো জীবন আজ রিক্ত, অলস হৃদয় স...
পউষ প্রখর শীতে জর্জ্জর, ঝিল্লি-মুখর রাতি; নিদ্রিত পুরী, নির্জ্জন ঘর, নির্ব্বাণ দীপ-বাতি। অকাতর দেহে আছিনু মগন সুখ নিদ্রার ঘোরে- তপ্ত শষ্যা প্রিয়ার মতন সোহগে ঘিরেছে মোরে। হেনকালে হায় বাহির হইতে কে ডাকিল মোর নাম,— নিদ্রা...
একা আমি ফিরব না আর এমন করে- নিজের মনে কোণে কোণে মোহের ঘোরে। তোমার একলা বাহুর বাধন দিয়ে ছোট করে ঘিরতে গিয়ে শুধু এ আপনারেই বাঁধি আপন ডোরে। যখন আমি পাব তোমায় নিখিল মাঝে সেইখানে হৃদয়ে পাব হৃদয়-রাজে। এই চিত্ত আমার বৃন্ত...
প্রভাতিল বিভাবরী; জয়রাম নাদে নাদিল বিকট-ঠাট লঙ্কার চৌদিকে। কনক-আসন ত্যজি, বিষাদে ভূতলে বসেন যথায়, হার, রক্ষোদলপতি রাবণ; ভীষণ স্বন স্বনিল সে স্থলে সাগর-কল্লোল-সম। বিস্ময়ে সুরথী সুধিলা সারণে লক্ষি;—“কহ ত্বরা করি, হে সচি...