- প্রথম পরিচ্ছেদ — প্রথম পর্ব্ব
প্রথম পর্ব্ব ১ আমার এই ‘ভব-ঘুরে’ জীবনের অপরাহ্ণ-বেলায় দাঁড়াইয়া ইহারই একটা অধ্যায় বলিতে বসিয়া আজ কত কথাই ন...
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
২ কয়েক মুহূর্ত্তেই ঘনান্ধকারে সম্মুখ এবং পশ্চাৎ লেপিয়া একাকার হইয়া গেল। রহিল শুধু দক্ষিণ ও বামে সীমান্তরাল-...
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
৩ বড় ঘুম পেয়েছে ইন্দ্র, বাড়ী ফিরে চল না ভাই! ইন্দ্র একটুখানি হাসিয়া ঠিক যেন মেয়েমানুষের মত স্নেহার্দ্র কো...
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
৪ পা আর চলে না—এম্নি করিয়া গঙ্গার ধারে ধারে চলিয়া সকাল-বেলা রক্তচক্ষু ও একান্ত শুষ্ক ম্লান মুখে বাটী ফিরিয়...
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
৫ সমস্ত ব্যাপারটা শুনিতে শুনিতে ইন্দ্রর দিদি হঠাৎ বার-দুই এম্নি শিহরিয়া উঠিলেন যে, ইন্দ্রর সেদিকে যদি কিছুমা...
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
৬ নিস্তব্ধ গভীর রাত্রে মা-গঙ্গার উপকূলে ইন্দ্র যখন আমাকে নিতান্ত অকারণে একাকী ত্যাগ করিয়া চলিয়া গেল, তখন কান...
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
৭ আজ একাকী গিয়া মুদীর কাছে দাঁড়াইলাম। পরিচয় পাইয়া মুদী একটি ছোট ন্যাক্ড়া বাহির করিয়া গেরো খুলিয়া দুটি...
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
৮ লিখিতে বসিয়া আমি অনেক সময়ই আশ্চর্য্য হইয়া ভাবি, এই সব এলোমেলো ঘটনা আমার মনের মধ্যে এমন করিয়া পরিপাটিভাবে...
- নবম পরিচ্ছেদ
৯ মানুষের অন্তর জিনিসটিকে চিনিয়া লইয়া, তাহার বিচারের ভার অন্তর্যামীর উপর না দিয়া মানুষ যখন নিজেই গ্রহণ করিয...
- দশম পরিচ্ছেদ
১০ সমস্ত ঘটনারই হেতু দেখাইবার জিদ্টা মানুষের যে বয়সে থাকে, সে বয়স আমার পার হইয়া গেছে! সুতরাং কেমন করিয়াই...
- একাদশ পরিচ্ছেদ
১১ পিয়ারীর কাছে যে সত্য করিয়াছিলাম, তাহা যে রক্ষাও করিয়াছিলাম, বাটী ফিরিয়া এই সংবাদ জানাইয়া তাহাকে চিঠি দ...
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
১২ যাহাতে অচৈতন্য শয্যাগত হইয়া পড়িয়াছিলাম, তাহা বসন্ত নয়, অন্য জ্বর। ডাক্তারি-শাস্ত্রে নিশ্চয়ই তাহার একটা...