- প্রথম পরিচ্ছেদ
১ বেণী ঘোষাল মুখুয্যেদের অন্দরের প্রাঙ্গণে পা দিয়াই সম্মুখে এক প্রৌঢ়া রমণীকে পাইয়া প্রশ্ন করিলেন, “এই যে মা...
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
২ এই কুঁয়াপুরের বিষয়টা অর্জ্জিত হইবার একটু ইতিহাস আছে, তাহা এইখানে বলা আবশ্যক। প্রায় শতবর্ষ পূর্ব্বে মহাকুল...
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
৩ “জ্যাঠাইমা?” ডাক শুনিয়া বিশ্বেশ্বরী ভাঁড়ার ঘর হইতে বাহিরে আসিলেন। বেণীর বয়সের সঙ্গে তুলনা করিলে তাহার জনন...
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
৪ বাহিরে এইমাত্র শ্রাদ্ধ শেষ হইয়া গেছে। আসন হইতে উঠিয়া রমেশ অভ্যাগতদিগের সহিত পরিচিত হইবার চেষ্টা করিতেছে—বা...
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
৫ এ পাড়ায় একমাত্র মধু পালের মুদির দোকান নদীর পথে হাটের একধারে। দশ বার দিন হইয়া গেল, অথচ সে বাকী দশ টাকা লইয...
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
৬ বিশ্বেশ্বরীর সেদিনের কথাটা সেইদিনেই দশখানা গ্রামে পরিব্যাপ্ত হইয়া গিয়াছিল। বেণী লোকটা নিজে কাহারও মুখের উপ...
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
৭ “হাঁরে যতীন্, খেলা কর্ছিস, ইস্কুলে যাবিনে?” “আমাদের যে আজ কাল দু’দিন ছুটি দিদি!” মাসী শুনিতে পাইয়া কুৎসিত...
- অষ্টম পরিচ্ছেদ — “জ্যাঠাইমা!”
৮ “জ্যাঠাইমা!” “কে, রমেশ? আয় বাবা, ঘরে আয়।” বলিয়া আহ্বান করিয়া বিশ্বেশ্বরী তাড়াতাড়ি একখানি মাদুর পাতিয়া...
- নবম পরিচ্ছেদ
৯ যত রাগ করিয়াই রমেশ চলিয়া আসুক, বাড়ী পৌঁছিতে না পৌঁছিতে তাহার সমস্ত উত্তাপ যেন জল হইয়া গেল। সে বার বার কর...
- দশম পরিচ্ছেদ
১০ মাস তিনেক পরে একদিন সকালবেলা তারকেশ্বরের যে পুষ্করিণীটিকে দুধপুকুর বলে, তাহারই সিঁড়ির উপর একটি রমণীর সহিত...
- একাদশ পরিচ্ছেদ
১১ দুইদিন অবিশ্রান্ত বৃষ্টিপাত হইয়া অপরাহ্ন-বেলায় একটু ধরণ হইয়াছে। চণ্ডীমণ্ডপে গোপাল সরকারের কাছে বসিয়া রম...
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
১২ ছেলেবেলায় একদিন রমেশ রমাকে ভালবাসিয়াছিল। নিতান্ত ছেলেমানুষি ভালবাসা, তাহাতে সন্দেহ নাই; কিন্তু সে যে কত গ...
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
১৩ আজ দুই মাস হইতে চলিল, কয়েকজন ডাকাতির আসামীর সঙ্গে ভজুয়া হাজতে। সেদিন খানাতল্লাসিতে রমেশের বাড়ীতে সন্দেহজ...
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ
১৪ বর্ষা শেষ হইয়া আগামী পূজার আনন্দ এবং ম্যালেরিয়াভীতি বাঙ্লার পল্লী-জননীর আকাশে, বাতাসে এবং আলোকে উঁকি-ঝুঁ...
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ
১৫ এমনি একটা আশঙ্কা যে রমেশের মাথায় একেবারেই আসে নাই, তাহা নহে। তথাপি, পরদিন সন্ধ্যার সময়ে গোপাল সরকার সদর হ...
- ষোড়শ পরিচ্ছেদ
১৬ প্রতি বৎসর রমা ঘটা করিয়া দুর্গোৎসব করিত এবং প্রথম পূজার দিনেই গ্রামের সমস্ত চাষাভুষা প্রভৃতিকে পরিতোষ পূর্...
- সপ্তদশ পরিচ্ছেদ
১৭ বিশ্বেশ্বরী ঘরে ঢুকিয়া অশ্রুভরা রোদনের কণ্ঠে প্রশ্ন করিলেন,—“আজ কেমন আছিস্ মা রমা?” রমা তাঁহার মুখের পানে...
- অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ
১৮ কারাপ্রাচীরের বাহিরেই যে তাহার সমস্ত দুঃখ ভগবান্ এমন করিয়া সার্থক করিয়া দিবার আয়োজন করিয়া রাখিয়াছিলেন...
- উনবিংশ পরিচ্ছেদ
১৯ সেই দিন অপরাহ্নে একটা অচিন্তনীয় ঘটনা ঘটিল। আদালতের বিচার উপেক্ষা করিয়া কৈলাস নাপিত এবং সেখ মতিলাল সাক্ষীস...