Bankim Chandra Chattopadhyay

Classic poet · Public-domain works
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–১৮৯৪) · Bankim Chandra Chattopadhyay সাহিত্যসম্রাট — আধুনিক বাংলা উপন্যাসের পথিকৃৎ। 'আনন্দমঠ', 'কপালকুণ্ডলা', 'দুর্গেশনন্দিনী'-র লেখক। তাঁর রচিত 'বন্দে মাতরম্' ভারতের জাতীয় গান এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের মন্ত্র হয়ে ওঠে।
314Posts
0Followers 0Following
24Views
0Reactions
0Gifts received
Novel

দেবী চৌধুরাণী — প্রথম খণ্ড · চতুর্থ পরিচ্ছেদ

সন্ধ্যার পর সেই ঘরে সাগর ও প্রফুল্ল, দুই জনে দ্বার বন্ধ করিয়া চুপি চুপি কথাবার্ত্তা কহিতেছিল, এমন সময়ে কে আসিয়া কপাটে ঘা দিল। সাগর জিজ্ঞাসা করিল, “কে গো?” “আমি গো।” সাগর প্রফুল্লের গা টিপিয়া চুপি চুপি বলিল, “কথা ক’স্...

1 year ago · 3 min read 0 0 0
Novel

দেবী চৌধুরাণী — প্রথম খণ্ড · তৃতীয় পরিচ্ছেদ

যখন গৃহিণী ঠাকুরাণী হেলিতে দুলিতে হাতের বাউটির খিল খুঁটিতে খুঁটিতে কর্ত্তা মহাশয়ের নিকেতনে সমুপস্থিতা, তখন কর্ত্তা মহাশয়ের ঘুম ভাঙ্গিয়াছে; হাতে মুখে জল দেওয়া হইয়াছে—হাত মুখ মোছা হইতেছে। দেখিয়া, কর্ত্তার মনটা কাদা ক...

1 year ago · 6 min read 0 0 0
Novel

দেবী চৌধুরাণী — প্রথম খণ্ড · দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

বরেন্দ্রভূমে ভূতনাথ নামে গ্রাম; সেইখানে প্রফুল্লমুখীর শ্বশুরালয়। প্রফুল্লের দশা যেমন হউক, তাহার শ্বশুর হরবল্লভবাবু খুব বড়মানুষ লোক। তাঁহার অনেক জমিদারী আছে, দোতালা বৈঠকখানা, ঠাকুরবাড়ী, নাটমন্দির, দপ্তরখানা, খিড়কিতে ব...

1 year ago · 5 min read 0 0 0
Novel

দেবী চৌধুরাণী — প্রথম খণ্ড · প্রথম পরিচ্ছেদ

প্রথম খণ্ড প্রথম পরিচ্ছেদ “ও পি—ও পিপি—ও প্রফুল্ল—ও পোড়ারমুখী।” “যাই মা।” মা ডাকিল—মেয়ে কাছে আসিল। বলিল, “কেন মা?” মা বলিল, “যা না—ঘোষেদের বাড়ী থেকে একটা বেগুন চেয়ে নিয়ে আয় না।” প্রফুল্লমুখী বলিল, “আমি পারিব না। আম...

1 year ago · 3 min read 0 0 0
Novel

আনন্দমঠ — দ্বিতীয় খণ্ড · বিংশ পরিচ্ছেদ

সত্যানন্দ ঠাকুর, রণক্ষেত্র হইতে কাহাকে কিছু না বলিয়া, আনন্দমঠে চলিয়া অসিলেন। সেখানে গভীর রাত্রে, বিষ্ণুমণ্ডপে বসিয়া ধ্যানে প্রবৃত্ত। এমত সময়ে সেই চিকিৎসক সেখানে আসিয়া দেখা দিলেন। দেখিয়া, সত্যানন্দ উঠিয়া প্রণাম করি...

1 year ago · 4 min read 0 0 0
Novel

আনন্দমঠ — দ্বিতীয় খণ্ড · ঊনবিংশ পরিচ্ছেদ

পূর্ণিমার রাত্রি!—সেই ভীষণ রণক্ষেত্র এখন স্থির। সেই ঘোড়ার দড়বড়ি, বন্দুকের কড়কড়ি, কামানের গুম্‌,—সর্ব্ব-ব্যাপীধূম, আর কিছুই নাই। কেহ হুর্‌রে বলিতেছে না—কেহ হরিধ্বনি করিতেছে না। শব্দ করিতেছে—কেবল শৃগাল, কুক্কুর, গৃধিন...

1 year ago · 5 min read 0 0 0
Novel

আনন্দমঠ — দ্বিতীয় খণ্ড · অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ

উড্‌ পাকা ইংরেজ। ঘাটিতে ঘাটিতে, তাহার লোক ছিল। শীঘ্র তাহার নিকটে খবর পৌঁছিল, যে সেই বৈষ্ণবীটা লিণ্ডলে সাহেবকে ফেলিয়া দিয়া আপনি ঘোড়ায় চড়িয়া কোথায় চলিয়া গিয়াছে। শুনিয়াই মেজর উড্‌ বলিলেন “An imp of Satan! Strike t...

1 year ago · 5 min read 0 0 0
Novel

আনন্দমঠ — দ্বিতীয় খণ্ড · সপ্তদশ পরিচ্ছেদ

তখন দুই জনে কানে কানে কি পরামর্শ করিল। পরামর্শ করিয়া জীবানন্দ এক বনে লুকাইল। শান্তি আর এক বনে প্রবেশ করিয়া এক অদ্ভূত রহস্যে প্রবৃত্ত হইল। শান্তি মরিতে যাইতেছিল, কিন্তু মৃত্যুকালে স্ত্রীবেশ ধরিবে ইহা স্থির করিয়াছিল। তা...

1 year ago · 4 min read 0 0 0
Novel

আনন্দমঠ — দ্বিতীয় খণ্ড · ষোড়শ পরিচ্ছেদ

বীরভূমি মুসলমানের হাত ছাড়া হইয়াছে। মুসলমান কেহই এ কথা মানেন না—মনকে চোখ ঠারেন—বলেন কতকগুলা লুঠেরাতে বড় দৌরাত্ম্য করিতেছে—শাসন করিতেছি। এইরূপ কতকাল যাইত বলা যায় না কিন্তু এই সময়ে ভগবানের নিয়োগে ওয়ারেন হেষ্টিংস কলিক...

1 year ago · 3 min read 0 0 0
Novel

আনন্দমঠ — দ্বিতীয় খণ্ড · পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ

পদচিহ্নে নূতন দুর্গমধ্যে আজ সুখে সমবেত, মহেন্দ্র, কল্যাণী, জীবানন্দ, শান্তি, নিমাই, নিমাইয়ের স্বামী, সুকুমারী। সকলে সুখে সম্মিলিত। শান্তি নবীনানন্দের বেশে আসিয়াছিলেন। কল্যাণীকে যে রাত্রে আপন কুটীরে আনেন, সেই রাত্রে বার...

1 year ago · 3 min read 0 0 0
Novel

আনন্দমঠ — দ্বিতীয় খণ্ড · চতুর্দ্দশ পরিচ্ছেদ

যখন শান্তি আপন আশ্রম ত্যাগ করিয়া গভীর রাত্রে নগরাভিমুখে যাত্রা করে, তখন জীবানন্দ আশ্রমে উপস্থিত ছিলেন। শান্তি জীবানন্দকে বলিল “আমি নগরে চলিলাম। মহেন্দ্রের স্ত্রীকে লইয়া আসিব। তুমি মহেন্দ্রকে বলিয়া রাখ যে উহার স্ত্রী আ...

1 year ago · 2 min read 0 0 0
Novel

আনন্দমঠ — দ্বিতীয় খণ্ড · ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ

সেই রজনীতে হরিধ্বনিতে বীরভূমি পরিপূর্ণ হইল। সন্তানেরা দলে দলে যেখানে সেখানে উচ্চৈঃস্বরে কেহ “বন্দে মাতরং” কেহ “জগদীশ হরে” বলিয়া গাইয়া বেড়াইতে লাগিল। কেহ শত্রুসেনার অস্ত্র, কেহ বস্ত্র অপহরণ করিতে লাগিল। কেহ মৃতদেহের মু...

1 year ago · 5 min read 0 0 0