যখন ছিলেম পথেরই মাঝখানে
যখন ছিলেম পথেরই মাঝখানে মনটা ছিল কেবল চলার পানে বোধ হত তাই, কিছুই তো নাই কাছে— পাবার জিনিস সামনে দূরে আছে। লক্ষ্যে গিয়ে পৌঁছব এই ঝোঁকে সমস্ত দিন চলেছি একরোখে। দিনের শেষে পথের অবসানে মুখ ফিরে আজ তাকাই পিছু-পানে। এখন দেখি...
Share your poems|
Find readers who feel them. Earn from every read and every gift.
Publish poems, stories and essays in your own language. Line breaks stay exactly as you wrote them.
Readers react, comment, follow and share. Climb the weekly leaderboard.
Every unique read earns coins, and readers can send you gifts. Withdraw your earnings anytime.
যখন ছিলেম পথেরই মাঝখানে মনটা ছিল কেবল চলার পানে বোধ হত তাই, কিছুই তো নাই কাছে— পাবার জিনিস সামনে দূরে আছে। লক্ষ্যে গিয়ে পৌঁছব এই ঝোঁকে সমস্ত দিন চলেছি একরোখে। দিনের শেষে পথের অবসানে মুখ ফিরে আজ তাকাই পিছু-পানে। এখন দেখি...
(এই সব ভালো লাগে): জানালার ফাঁক দিয়ে ভোরের সোনালি রোদ এসে আমারে ঘুমাতে দেখে বিছানায়, আমার কাতর চোখ, আমার বিমর্ষ ম্লান চুল― এই নিয়ে খেলা করে: জানে সে যে বহুদিন আগে আমি করেছি কি ভুল পৃথিবীর সব চেয়ে ক্ষমাহীন গাঢ় এক রূপ...
যত বড়ো হোক ইন্দ্রধনু সে সুদূর-আকাশে-আঁকা, আমি ভালোবাসি, মোর ধরণীর প্রজাপতিটির পাখা। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
আজি শ্রাবণ-ঘন গহন-মোহে গোপন তব চরণ ফেলে নিশার মত নীরব ওহে সবার দিঠি এড়ায়ে এলে। প্রভাত আজি মুদেছে আঁখি, বাতাস বৃথা যেতেছে ডাকি, নিলাজ নীল আকাশ ঢাকি নিবিড় মেঘ কে দিল মেলে! কূজনহীন কাননভূমি, দুয়ার দেওয়া সকল ঘরে, একেলা...
জানি আমি মোর কাব্য ভালোবেসেছেন মোর বিধি, ফিরে যে পেলেন তিনি দ্বিগুণ আপন-দেওয়া নিধি। তাঁর বসন্তের ফুল বাতাসে কেমন বলে বাণী সে যে তিনি মোর গানে বারম্বার নিয়েছেন জানি। আমি শুনায়েছি তাঁ’রে, শ্রাবণ রাত্রির বৃষ্টিধারা কি অন...
জীবন অথবা মৃত্যু চোখে র’বে—আর এই বাংলার ঘাস র’বে বুকে; এই ঘাস: সীতারাম রাজারাম রামনাথ রায়— ইহাদের ঘোড়া আজো অন্ধকারে এই ঘাস ভেঙে চ’লে যায়— এই ঘাস: এরি নিচে কঙ্কাবতী শঙ্খমালা করিতেছে বাস: তাদের দেহের গন্ধ, চাঁপাফুল মাখা...
যে আঁধারে ভাইকে দেখিতে নাহি পায় সে আঁধারে অন্ধ নাহি দেখে আপনায়। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
তুমি কেমন করে গান কর হে গুণী অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি। সুরের আলো ভুবন ফেলে ছেয়ে, সুরের হাওয়া চলে গগন বেয়ে, পাষাণ টুটে ব্যাকুল বেগে ধেয়ে বহিয়া যায় সুরের সুরধুনী। মনে করি অম্নি সুরে গাই, কণ্ঠে আমার সুর খুঁজে না পাই...
হেরি অহরহ তোমারি বিরহ ভুবনে ভুবনে রাজে হে। কত রূপ ধরে কাননে ভূধরে আকাশে সাগরে সাজে হে। সারা নিশি ধরি তারায় তারায় অনিমেষ চোখে নীরবে দাঁড়ায়, পল্লবদলে শ্রাবণ ধারায় তোমার বিরহ বাজে হে। ঘরে ঘরে আজি কত বেদনায় তোমারি গভীর...
যে যায় তাহারে আর ফিরে ডাকা বৃথা। অশ্রুজলে স্মৃতি তার হোক পল্লবিতা। — স্ফুলিঙ্গ (1945)