মেঘ মুলুকে ঝাপ্‌সা রাতে, রামধনুকের আব্‌ছায়াতে, তাল বেতালে খেয়াল সুরে, তান ধরেছি কণ্ঠ পুরে। হেথায় নিষেধ নাইরে দাদা, নাইরে বাঁধন নাইরে বাধা। হেথায় রঙিন আকাশতলে স্বপন-দোলা হাওয়ায় দোলে, সুরের নেশায় ঝরনা ছোটে, আকাশকুসুম আপনি ফোটে, রঙিয়ে আকাশ, রঙিয়ে মন চমক জাগে ক্ষণে ক্ষণ! আজকে দাদা যাবার আগে বল্‌ব যা মোর চিত্তে লাগে নাই-বা তাহার অর্থ হোক্‌ নাই-বা বুঝুক বেবাক্‌ লোক। আপনাকে আজ আপন হতে ভাসিয়ে দিলাম খেয়াল স্রোতে। ছুট্‌লে কথা থামায় কে? আজকে ঠেকায় আমায় কে? আজকে আমার মনের মাঝে ধাঁই ধপাধপ্‌ তবলা বাজে— র ম-খটাখট্‌ ঘ্যাচাং ঘ্যাঁচ্‌ কথায় কাটে কথার প্যাঁচ্‌। আলোয় ঢাকা অন্ধকার, ঘণ্টা বাজে গন্ধে তার। গোপন প্রাণে স্বপন দূত, মঞ্চে নাচেন পঞ্চ ভূত! হ্যাংলা হাতি চ্যাং-দোলা, শূন্যে তাদের ঠ্যাং তোলা। মক্ষিরানী পক্ষিরাজ— দস্যি ছেলে লক্ষ্মী আজ। আদিম কালের চাঁদিম হিম, তোড়ায় বাঁধা ঘোড়ার ডিম। ঘনিয়ে এল ঘুমের ঘোর, গানের পালা সাঙ্গ মোর।