যেন শেষ গানে মোর সব রাগিণী পূরে,- আমার সব আনন্দ মেলে তাহার সুরে।        যে আনন্দে মাটির ধরা হাসে        অধীর হয়ে তরুলতায় ঘাসে,        যে আনন্দে দুই পাগলের মত          জীবন-মরণ বেড়ায় ভুবন ঘুরে-          সেই আনন্দ মেলে তাহার সুরে।   যে আনন্দ আসে ঝড়ের বেশে,   ঘুমন্ত প্রাণ জাগায় অট্ট হাসে।        যে আনন্দ দাঁড়ায় আঁখি জলে        দুঃখব্যথার রক্ত শতদলে,        যা আছে সব ধূলায় ফেলে দিয়ে            যে আনন্দে বচন নাহি ফুরে-            সেই আনন্দ মেলে তাহার সুরে ২২ শ্রাবণ ১৩১৭ — গীতাঞ্জলি (1910)