তাঁহারা দেখিয়াছেন— বিশ্বচরাচর ঝরিছে আনন্দ হতে আনন্দনির্ঝর। অগ্নির প্রত্যেক শিখা ভয়ে তব কাঁপে, বায়ুর প্রত্যেক শ্বাস তোমারি প্রতাপে, তোমারি আদেশ বহি মৃত্যু দিবারাত চরাচর মর্মরিয়া করে যাতায়াত। গিরি উঠিয়াছে ঊর্ধ্বে তোমারি ইঙ্গিতে, নদী ধায় দিকে দিকে তোমারি সংগীতে। শূন্যে শূন্যে চন্দ্রসূর্য গ্রহতারা যত অনন্ত প্রাণের মাঝে কাঁপিছে নিয়ত।   তাঁহারা ছিলেন নিত্য এ বিশ্ব-আলয়ে   কেবল তোমারি ভয়ে,​​ তোমারি নির্ভয়ে—   তোমারি শাসনগর্বে দীপ্ততৃপ্তমুখে   বিশ্বভুবনেশ্বরের চক্ষুর সম্মুখে। — নৈবেদ্য (1901)