যে তারা মহেন্দ্রক্ষণে প্রত্যুষ বেলায় প্রথম শুনালো মোরে নিশান্তের বাণী শান্তমুখে; নিখিলের আনন্দ মেলায় স্নিগ্ধকণ্ঠে ডেকে নিয়ে এলো; দিলো আনি’ ইন্দ্রাণীর হাসিখানি দিনের খেলায় প্রাণের প্রাঙ্গণে; যে সুন্দরী, যে ক্ষণিকা নিঃশব্দ চরণে আসি’, কম্পিত পরশে চম্পক অঙ্গুলি-পাতে তন্দ্রা-যবনিকা সহাস্যে সরায়ে দিলো, স্বপ্নের আলসে ছোঁয়ালো পরশমণি জ্যোতির কণিকা; অন্তরের কণ্ঠহারে নিবিড় হরষে প্রথম দুলায়ে দিলো রূপের মণিকা; এ-সন্ধ্যার অন্ধকারে চলিনু খুঁজিতে, সঞ্চিত অশ্রুর অর্ঘ্যে তাহারে পূজিতে। (ফাল্গুন, ১৩৩০) — পূরবী (1925)