শুভখন আসে সহসা আলো জ্বেলে, মিলনের সুধা পরম ভাগ্যে মেলে।   একার ভিতরে একের দেখা না পাই,   দুজনার যোগে পরম একের ঠাঁই, সে-একের মাঝে আপনারে খুঁজে পেলে॥ আপনারে দান সেই তো চরম দান, আকাশে আকাশে তারি লাগি আহ্বান।   ফুলবনে তাই রূপের তুফান লাগে,   নিশীথে তারায় আলোর ধেয়ান জাগে, উদয় সূর্য গাহে জাগরণী গান॥ নীরবে গোপনে মর্ত্ত্যভুবন ’পরে অমরাবতীর সুর-সুরধুনী ঝরে।   যখনি হৃদয়ে পশিল তাহার ধারা   নিজেরে জানিলে সীমার বাঁধন হারা, স্বর্গের দীপ জ্বলিল মাটির ঘরে॥ আজি বসন্ত চিরবসন্ত হোক্, চিরসুন্দরে মজুক্ তোমার চোখ।   প্রেমের শান্তি চিরশান্তির বাণী   জীবনের ব্রতে দিনে রাতে দিক্ আনি’, সংসারে তব নামুক্ অমৃতলোক॥ আশ্বিন (?), ১৩৩৫ — মহুয়া (1929)