দিকে দিকে দেখা যায় বিদর্ভ, বিরাট, অযোধ্যা, পাঞ্চাল, কাঞ্চী উদ্ধতললাট— স্পর্ধিছে অম্বরতল অপাঙ্গ-ইঙ্গিতে, অশ্বের হ্রেষায় আর হস্তীর বৃংহিতে, অসির ঝঞ্ঝনা আর ধনুর টংকারে, বীণার সংগীত আর নূপুরঝংকারে, বন্দীর বন্দনারবে, উৎসব-উচ্ছ্বাসে, উন্নাদ শঙ্খের গর্জে, বিজয়-উল্লাসে, রথের ঘর্ঘরমন্দ্রে, পথের কল্লোলে নিয়ত ধ্বনিত ধ্মাত কর্মকলরোলে। ব্রাহ্মণের তপোবন অদূরে তাহার— নির্বাক্‌ গম্ভীর শান্ত সংযত উদার। হেথা মত্ত স্ফীতস্ফূর্ত ক্ষত্রিয়গরিমা, হোথা স্তব্ধ মহামৌন ব্রাহ্মণমহিমা। ১ শ্রাবণ ১৩০৩ — চৈতালি (1896)