প্রথম সৃষ্টির ছন্দখানি অঙ্গে তা’র নক্ষত্রের নৃত্য দিল আনি’।   বর্ষাঅন্তে ইন্দ্রধনু     মর্ত্ত্যে নিল তনু। দিগ্বধূর মায়াবী অঙ্গুলি চঞ্চল চিন্তায় তার বুলায়েছে বর্ণ-আঁকা তুলি। সরল তাহার হাসি, সুকুমার মুঠি   যেন শুভ্র কমল-কলিকা;     আঁখি দুটি যেন কালো আলোকের সচকিত শিখা। অবসাদবন্ধ ভাঙা মুক্তির সে ছবি,      সে আনিয়া দেয় চিত্তে       কলনৃত্যে দুস্তর-প্রস্তর-ঠেলা ফেনোচ্ছল আনন্দ-জাহ্নবী। বীণার তন্ত্রের মতো গতি তা’র সঙ্গীত-স্পন্দিনী,-       —নাম কি নন্দিনী? — মহুয়া (1929)